বুধবার, ০৮ Jul ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : ইতিহাসবিদ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের করা মানহানির মামলার কার্যক্রমের ওপর ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। মুনতাসীর মামুনের করা এক আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার এ কে রাশেদুল হক।
মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত ‘বাংলাদেশ চর্চা/৩’ বই প্রকাশ করা হয় ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এ বইয়ের লেখক মো. আবুবকর সিদ্দিকীর ‘মুক্তিযুদ্ধে দৌলতপুর : একটি সমীক্ষা’ শিরোনামের প্রবন্ধে শান্তি কমিটির সদস্যদের নামের তালিকায় মন্নুজান সুফিয়ানের পিতা ‘মৃত মোসলেম বাওয়ালী’র নাম ৩৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। এটা নজরে আসার পর ২০১৮ সালের ১ জুলাই মুনতাসীর মামুনের কাছে আইনি নোটিশ পাঠান মন্নুজান সুফিয়ান। এই নোটিশের জবাব দেন মুনতাসীর মামুন। এর পরও একই বছরের ১৯ জুলাই ফের মুনতাসীর মামুনকে আইনি নোটিশ পাঠান মন্নুজান সুফিয়ান। নোটিশে ক্ষমা চেয়ে নাম প্রত্যাহার করতে বলা হয় এবং লেখক আবুবকর সিদ্দিকীর বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। কিন্তু মুনতাসীর মামুন এ বিষয়ে রাজি হননি। পরে মন্নুজান সুফিয়ান ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার তৃতীয় জেলা জজ আদালতে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মুনতাসীর মামুনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন।
এরপর একই বছরের ২২ জুলাই মামলাটির বাতিল চেয়ে জজ আদালতে আবেদন করেন মুনতাসীর মামুন। কিন্তু চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি আবেদনটি খারিজ করে দেন আদালত। এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে গত ২৬ আগস্ট হাইকোর্টে আবেদন করেন মুনতাসীর মামুন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে বিচারিক আদালতে মুনতাসির মামুনের আবেদন খারিজের আদেশ কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
নগর কন্ঠ.কম/এআর